পোস্টগুলি

আত্মা ও মৃত্যু। মৃত্যুর পরে কি হয় ও আত্মার শান্তির জন্য কি করতে হয় ? আত্মার সাথে কি ভাবে যোগাযোগ করবেন ? পুনর্জন্মের বৃত্তান্ত -আত্মা ও গর্ভাধান ,পূর্বজন্মের কথা /বৃত্তান্ত কি ভাবে জানবেন ?

ছবি
        আত্মা কি ? পরমাত্মা কি ?  আত্মা বলতে সাধারণ অর্থে এমন এক সত্ত্বাকে বোঝানো হয়, যা অদৃশ্য এবং মানুষের শরীর ভিতরে  স্বাধীনভাবে বসবাস করে  ।  এই আত্মা কখনও জন্মান না বা মরেন না,অথবা একবার জন্মগ্রহন করে আবার জন্মাবেন না,-এমনও নয়  ।  এই আত্মা  জন্মহীন, নিত্য, সনাতন এবং পুরাতন , শরীরের মৃত্যু হলেও আত্মার মৃত্যু হয় না''।   পরমাত্মা   ।   পরমাত্মা র অর্থ সমস্ত আত্মার আত্মা বা সর্বোচ্চ  আত্মা   । পরমাত্মা শব্দটি সকলের সৃষ্টিকর্তাকে নির্দেশ করে । মৃত্যু কি ? মৃত্যু কাকে বলে । স্থূল শরীর (sthūla śarīra) এবং সূক্ষ্ম শরীর (sukṣma sarira)-এর বিচ্ছেদই মৃত্যু, এবং স্থূল শরীর (sthula sarira) ও সূক্ষ্ম শরীর (sukṣma sarira)-এর একত্রীকরণই জন্ম/জীবন। মোক্ষ কি ? মোক্ষ কী? মোক্ষ মানে হলো জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি। মোক্ষ প্রাপ্তির পর আত্মার আর পুনর্জন্ম হয় না।  আত্মার স্বরূপ ও আত্মার কিছু তথ্য।   1 .আত্মা  এক ,অবিনাশী ,আবরণ রহিত ,আশ্রয় ,শুদ্ধ ,স্বয়ং প্রকাশ ,সবকিছুর নিমিত্ত,নিত্য,নির্লিপ্ত ,নি...

মানব-উৎপত্তি: বিবর্তন, প্রমাণ এবং ঈশ্বরের দ্বারা সৃষ্টি। ভারতবর্ষ নামটির উৎপত্তি ।

ছবি
মানব-উৎপত্তি: বিবর্তন, প্রমাণ এবং ঈশ্বরের দ্বারা সৃষ্টি। বিজ্ঞানের মতে, প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তন-প্রক্রিয়ার ফলে মানুষ লক্ষ লক্ষ বছর ধরে প্রাচীন প্রাইমেট পূর্বপুরুষদের থেকে বিবর্তিত হয়ে মানুষের সৃষ্টি হয়েছে । অনেক বিজ্ঞানীদের মতে  আধুনিক মানুষ (Homo sapiens) প্রায় ৩ লক্ষ বছর আগে আফ্রিকায় জন্ম লাভ করে  । বিজ্ঞানের মতে মানব-উৎপত্তি: বিবর্তন, প্রক্রিয়া টি নিম্ন রূপ।  প্রাইমেট → এপ → প্রাথমিক মানব-পূর্বপুরুষ (হোমিনিন) → আধুনিক মানুষ মানুষ এপ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। মানুষের  নিকটতম জীবিত আত্মীয় হল শিম্পাঞ্জি এবং বনোবো এবং এর অন্যান্য বৃহৎ এপের মধ্যে গরিলা ও ওরাংওটাং । তবে মানুষ এবং মানুষের  নিকটতম জীবিত আত্মীয়—শিম্পাঞ্জি ও বনোবো—এদের সঠিক সব চেয়ে নিকট  সাধারণ পূর্বপুরুষদের  এখনও খুঁজে  পাওয়া  যায়নি এবং জীবাশ্ম-নথিতেও তাদের  শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। উপরোক্ত বিষয়গুলি বিবেচনা করে বলা হয় যে, ঈশ্বরই আমাদের সৃষ্টি করেছেন। ভারতবর্ষ নামটির উৎপত্তি।    ভারতবর্ষ।  শ্রী মদ ভাগবত মহা পুরান  অনুসারে অনুযায়ী, ঋষভ দেবের...

শ্রী শ্রী মা ষষ্ঠীদেবীর পূজা এবং তাঁর ধ্যান মন্ত্র,প্রণাম মন্ত্র ও ব্রত পালন ।

ছবি
।। মা ষষ্ঠীদেবী ।। ষষ্ঠী দেবী বা ষষ্ঠীঠাকুর হলেন  প্রজননের দেবী, দেবী ষষ্ঠী সন্তান দায়িনী,  তার কৃপায় নিঃসন্তান সন্তানবতী হ ন  এবং তিনিই সন্তানের রক্ষাকর্ত্রী মাতৃকা ,   তিনিই  সন্তান পালিনী দেবী , মঙ্গলদায়িনী প্রকৃতি। সনাতনধর্মস্য প্রমুখদেবীনাং বর্ণনম্। সনাতনধর্মস্য দেব্যঃ এতাঃ প্রমুখাঃ স্মৃতাঃ। প্রকৃতির্লক্ষ্মীশ্চ দুর্গা যা যোগমায়েতি কীর্তিতা॥ জ্ঞানা শ্রীশ্চ বিদ্যা চ সরস্বতী পার্বতী তথা। ভূদেবী চ অন্যাঃ দেব্যঃ পূজ্যাঃ সনাতনে সদা॥ হিন্দু বর্ষ পঞ্জীর প্রতিমাসের  শুক্লাষষ্ঠী তিথিতে বিভিন্ন নামে ষষ্ঠীদেবী পূজিতা হন ।যেমন  জৈষ্ঠ মাসে: অরণ্যষষ্ঠী, শ্রাবণ মাসে: লুণ্ঠন বা লোটনষষ্ঠী, ভাদ্র মাসে :  মন্থনষষ্ঠী, আশ্বিন মাসে: দুর্গাষষ্ঠী বা বোধনষষ্ঠী, অগ্রহায়ণ মাসে: মূলাষষ্ঠী, পৌষ মাসে: পাটাইষষ্ঠী, মাঘমাসে   শীতলষষ্ঠী   বা   গোটাষষ্ঠী  বা শিলষষ্ঠী , চৈত্র মাসে: অশোকষষ্ঠী এবং নীলষষ্ঠী ইত্যাদি  । এছাড়া, শিশুর জন্মের দু'দিন পর 'সূতিকা ষষ্ঠী , ষষ্ঠ দিনে 'ঘাটষষ্ঠী', একুশদিনে ' একুশে ' এবং শিশুর বারো বছর বয...